Sunday, December 3, 2017

বীর্য ঘন করার সবগুলি উপায় জানুন । কাজে লাগবে

অনেকেই আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন বীর্য ঘন করার উপায় সম্পর্কে। অনেকে আবার ওষুধ খেয়ে ঘন করতে না পেরে অতিষ্ঠ । তারা জানতে চান আসলেই কি বীর্য ঘন করার কোন উপায় আছে কিনা! হাঁ প্রাকৃতিক কিছু জিনিস যা আমদের হাতের কাছেই পাওয়া যায় যেমন রসুন হতে পারে আপনার বিবাহিত জীবনের নতুন বন্ধু।


নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খেলে এমনিতেই পুরুষের বীর্য ঘন হয়ে থাকে। যেমন প্রতিদিন দুধ, ডিম, মধু গ্রহণ
প্রতিদিন নিয়ম করে কয়েক কোয়া কাঁচা রসুন খেলে শরীরের যৌবন দীর্ঘ স্থায়ী হয় । যারা পড়ন্ত যৌবনে চলে গিয়েছেন, তারা প্রতিদিন দু’কোয়া রসুন খাঁটি গাওয়া ঘি-এ ভেজে মাখন মাখিয়ে খেতে পারেন। তবে খাওয়ার শেষে একটু গরম পানি বা দুধ খাওয়া উচিত। এতে ভালো ফল পাবেন।যৌবন রক্ষার জন্য রসুন অন্যভাবেও খাওয়া যায়। কাঁচা আমলকির রস ২ বা ১ চামচ নিয়ে তার সঙ্গে এক বা দুই কোয়া রসুন বাটা খাওয়া যায়। এতে স্ত্রী-পুরুষ উভয়ের যৌবন দীর্ঘস্থায়ি হয়।
তবে যাদের শরীর থেকে রক্তপাত সহজে বন্ধ হয় না, অতিরিক্ত রসুন খাওয়া তাদের জন্য বিপদ জনক। কারণ, রসুন রক্তের জমাট বাঁধার ক্রিয়াকে বাধা প্রদান করে।
রাতে শুবার সময় ইসুপগুলের ভুসি পানি দিয়ে খাবেন ৭ দিন খান ফলাফল নিজেই পাবেন। কোথায় আছে দাদা খেলে দাদি খুশি নানা খেলে নানি খুশি এরেই নাম ইসুপগুলের ভুসি।
নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খেলে এমনিতেই পুরুষের বীর্য ঘন হয়ে থাকে। যেমন প্রতিদিন দুধ, ডিম, মধু গ্রহণ করলে সাধারণত আর কোনো কিছুরই দরকার পড়ে না। অনেকে আবার সরাসরি ঔষধ খাওয়া শুরু করে দেন। তারও কোনো দরকার আছে বলে ডাক্তাররা মনে করেন না। কারণ পুরুষের বীর্য উত্পন্ন হয় সরাসরি তাদের খাবার থেকে।
আর যদি কিছু খেতেই মনে চায় তাহলে “শিমুল মূল চূর্ণ” এবং “শিলাজুত” প্রতিদিন ১ চামচ পরিমান সকালে পানিতে মিশিয়ে সপ্তাহ বা ১০ দিন খেতে পারেন। এতেই কাজ হয়ে যাবে। “শিলাজুত” আগের দিন পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হয়। এগুলো প্রাকৃতিক। হোমিওপ্যাথিতেও বীর্য ঘন করার দারুন কিছু ঔষধ রয়েছে যেগুলির কোনো প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই এবং সারা বছরই আপনি খেতে পারবেন। কিন্তু আমরা রোগ-ব্যাধি ছাড়া কাউকেই কোনো প্রকার ঔষধ খাওয়ানোর পক্ষপাতি নই। ধন্যবাদ।

স্বপ্নদোষ হলে ও হস্তমৈথুন করলে কি বিবাহিত জীবনে সমস্যা হয়?

প্রশ্নঃআমার বয়স ২৭। আমি অবিবাহিতা নারী। কয়েক মাসের মধ্যেই আমি বিয়ে করতে যাচ্ছি। আমার বয়স যখন ১৩ বছর তখন থেকেই আমি হস্তমৈথুনে অভ্যস্থ হয়ে পড়ি। আমার এখন সমস্যা হলো, আমি যতক্ষণ হস্তমৈথুন কাজে রত থাকি ততক্ষণ আমি খুব আনন্দ পাই। কিন্তু ৩-৪ মিনিট পর আমার ভিতরে অপরাধবোধের জন্ম নেয় এবং আমাকে খুবই বিষণ্ন করে তোলে। শুধু তাই নয়, আমি পাকস্থলীতে ব্যথা, পায়ে ব্যথা এবং কোমরে ব্যথা অনুভব করি। আমি মাসে ৩-৪ বার হস্তমৈথুন করি। গত ৪ বছর ধরে আমি ধরে আমি যৌন বিষয়ক স্বপ্ন দেখি বিশেষ করে ভোরবেলায় এবং আমি প্রচন্ড পুলকিত অবস্থা ঘুম থেকে জেগে উঠি। এখন আমার প্রশ্ন হলো, আমি কি আমার স্বামিইর সাথে মিলনে প্রকৃত তৃপ্তি পাব? নাকি হস্তমৈথুনের কারণে আমি স্বাভাবিক যৌন জীবন উপভোগ করতে পারবো না?


উত্তরঃহস্তমৈথুন হচ্ছে বিপরীত লিঙ্গের সঙ্গিনী ব্যতীত যৌনতা স্বাদ উপভোগ করা। হস্তমৈথুন করে আনন্দ পেয়ে সংশ্লিষ্ট এতে আসক্ত হয়ে যায় এবং বিবাহের প্রতি তাঁর অনিচ্ছা জাগে এবং তারই সাথে নিজের গোপ্তাঙ্গের ক্ষতি সাধন করে ফেলে। ফলে তাঁর বিবাহিত জীবনে সমস্যা নেমে আসে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে ধর্মীয় ভাবে হস্তমৈথুনকে পাপ হিসাবে গণ্য করা হয়। এটি করার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজের অজান্তেই মনের ভিতরে পাপ-বোধ এসে যায়। পাপবোধ না আসলেও তাঁর মনে অপরাধবোধ আসে। আপনার ক্ষেত্রেও এমনটি হয়েছে। এটি মন থেকে ঝেড়ে ফেলুন তাহলে আপনার দাম্পত্য জীবনে সমস্যা হবে না আশা করি। আর শারিরিক সমস্যার জন্য ডাক্তারের সাহায্য ও পরামর্শ নেওয়া উচিত। ঘুমের মধ্যে যৌন কার্য দেখা এটি যৌবনের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। বিবাহের পরে নিয়মিত শারীরিক মিলনের ফলে তা দূর হয়ে যাবে। এসব নিয়ে চিন্তিত হবারও কোন কারণ নেই এবং এটি ধর্মীয় দৃষ্টিতে অপরাধও নয়। কিন্তু এসম্পর্কিত মুসলিম নারী পুরুষদের কিছু মাসআলা আছে যা পালন করতে হয়। জেনে নিন আপনার জন্য১১৩ টি গোপন মাসআলা।ছেলেদের স্বপ্নের মধ্যে বীর্যপাত হলে পড়ুনঃযৌন উত্তেজনায় বীর্যপারলেখাটি।
নোটঃনাস্তিক পন্থী ডাক্তারগণ হস্তমৈথুনে দোষের কিছু দেখে না এবং এর ক্ষতিও তাঁরা মানতে চায় না। কিন্তু প্রকৃতি পক্ষে এটি যে ক্ষতিকর তা আমরা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে জানতে পারি। তাঁরা সর্বদা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন মানুষের এই দুর্বলতাঁকে ব্যবহার করে তাদেরকে ভিন্ন পথে পরিচালিত করতে। তাদের এই পথের বাধার অন্তরায় হচ্ছে ধর্মীয় পাপ অথবা অপরাধবোধ। যার কারণে তাঁরা হস্তমৈথুনের পার্শ্বপ্রতিক্রীয়াকে ধর্মীয় পাপ অথবা অপরাধবোধের উপর দায় চাপিয়ে নিজেরা সরে পরে।

দাম্পত্য জীবন স্বামী স্ত্রীর ঝগড়া-ঝাটি স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু ঝগড়া-ঝাটি করতে গিয়ে একে-অপরকে মেরে ক্ষত-বিক্ষত করে দেওয়া কি অপরাধ নয়? ছোট একটি উদাহরণ দিয়ে আপনাকে বুঝিয়ে দিলাম।

Thursday, October 12, 2017

চিরতরে মুখের ব্রণের সমস্যা সমাধানের উপায়


ব্রণ বিভিন্ন করনে হতে পারে। বয়ঃসন্ধির সময় হরমোনের ক্ষরণ মাত্রার ভারসাম্যের অভাবে ত্বকের তেলগ্রন্থি ও সেবাম ক্ষরণ বেড়ে যায়। এতে লোমকুপ গুলো বন্ধ হয়ে যায় ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হয়। এভাবে জীবাণুর বিষক্রিয়ায় ত্বকে ব্রণের সৃষ্টি হয়। ব্রণের জীবাণুর নাম ‘প্রোপাইনো ব্যাকটেরিয়াম অ্যাকনে’।
ব্রণ
কখন ও কোথায় ব্রণ হয় বয়ঃসন্ধির সময় প্রথম ব্রণ দেখা যায়। ছেলেদের ক্ষেত্রে ১৬-১৯ বছর বয়সের মাঝে এবং মেয়েদের ১৪-১৬ বছর বয়সে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। ৮০ শতাংশের ক্ষেত্রে ২০ বছর বয়সের মাঝামাঝি সময় থেকে ব্রণ হওয়ার হার কমে যেতে থাকে।
তবে অনেকের ৩০-৪০ বছর বয়স পর্যন্ত ব্রণ হওয়ার প্রবণতা থেকেই যায়। ব্রণ সাধারণত মুখেই দেখা যায়, তবে পিঠে, ঘাড়ে ও বুকেও হতে পারে।গরমকালে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা অনেক বেড়ে যায়।

ব্রণ হলে কী করবেন:
দিনে দুই-তিনবার হালকা সাবান বা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোবেন।
ব্রণে হাত লাগাবেন না।
তেল ছাড়া অর্থাৎ ওয়াটার বেসড মেকআপ ব্যবহার করবেন।
মাথা খুশকিমুক্ত রাখার চেষ্টা করুন।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন এবং নিজের জন্য আলাদা তোয়ালে রাখুন।
রাতে ঠিকমতো ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
মানসিক চাপ পরিহার করুন।
প্রচুর পরিমাণে ফল, সবজি খান ও প্রচুর পানি পান করুন।
ব্রণ হলে কী করবেন না:
রোদে বেরুবেন না, রৌদ্র এড়িয়ে চলুন।
তেলযুক্ত ক্রিম বা ফাউন্ডেশন ব্যবহার করবেন না।
ব্রণে হাত লাগাবেন না। ব্রণ খুঁটবেন না।
চুলে এমনভাবে তেল দেবেন না যাতে মুখটাও তেলতেলে হয়ে যায়।
অতিরিক্ত তেল, ঘি, মশলা খাবেন না।

নিয়ম

কেন ব্রণের চিকিৎসা করাবেন:
ব্রণ হলে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত। কারণ চিকিৎসা না করালে অনেক সময় ব্রণ ত্বকের মারাÍক ক্ষতি করতে পারে। ত্বকে গভীর প্রদাহ সৃষ্টি হতে পারে। আর ব্রণ হলে চেহারা খারাপ দেখানোর কারণে অনেকে হতাশ হয়ে যায়।
রাতে ঘুমানোর সময় ভালো করে মুখ ধুয়ে শুধু ব্রণগুলোর ওপর চিকিৎসকের পরামর্শমতো জেল লাগানো যেতে পারে। দু’একদিন জেল ব্যবহারের পর ঠিক হয়ে যায়। চুলকানি বা লাল ভাব বেশি হলে ব্যবহার বন্ধ করে দিতে হবে।
কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে তা দূর করতে হবে। ঝাল-মশলাযুক্ত ও তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। সুষম সহজপাচ্য হালকা খাবার, শাকসবজি, ফলমূল এবং প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে। পুষ্টিহীনতায় ভুগলে প্রোটিন ও ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।
মাথায় খুশকি থাকলে অ্যান্টিড্যানড্রাফ শ্যাম্পু ব্যবহার করে খুশকি দূর করতে হবে। ব্রণের তীব্রতা বেশি হলে চিকিৎসকের মতামত নিয়ে প্রয়োজনীয় ওষুধ সেবন করতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ব্রণের জন্য অন্যের কথা শুনে বা নিজের পছন্দসই কোনও ওষুধ লাগাবেন না। কতটা বেশি ব্রণ হয়েছে তার ওপর নির্ভর করে খাবার ও লাগানোর জন্য এন্টিবায়োটিক ওষুধ দেয়া হয়। তবে ব্রণের চিকিৎসা সময় সাপেক্ষ। তাই ধৈর্য ধরতে হবে আপনাকে। হঠাৎ চিকিৎসা পদ্ধতি বা ডাক্তার বদলাবেন না।

ব্রণের চিকিৎসা :
সব ধরনের প্রসাধনী বর্জন করতে হবে। নখ দিয়ে ব্রণ খোঁটাখুঁটি করা যাবে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্রণ আপনা-আপনি সেরে যায়।
দিনে দুই থেকে তিনবার ফেসওয়াশ সাবান দিয়ে মুখ ধুতে হবে। অনেকে ব্রণ হলে মুখে সাবান ব্যবহার বন্ধ করে দেন অথচ এ সময়ে সাবান দিয়ে মুখ ধুলে উপকার হয়, কেননা সাবান মুখের তৈলাক্ততা দূর করে এবং লোককূপ পরিষ্কার রাখে।আমাদের ত্বকের তৈল গ্রন্থি ব্যাটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হলে এর আকৃতি বৃদ্ধি পায় তখন এর ভিতরে পুঁজ জমা হতে থাকে, যা ধীরে ধীরে বর্ন পরিবর্তন করেব্রণের আকার ধারণ করে। এটা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বংশগত। ব্রণকে অনেকেই pimple, zit বা spot বলে থাকে। সাধারণত টিনেজার মেয়েরাইব্রণের সমস্যায় বেশি ভোগে।বাজারে ব্রণ দূর করার জন্য নানারকম কসমেটিক্স/ঔষধ পাওয়া যায়।সেগুলো ব্যবহার করারআগে নিচের ঘরোয়া পদ্ধতিগুলো অনুসরন করতে পারেন। ঘরোয়া পদ্ধতি্তে ব্রণ এবং ব্রণেরদাগ দুর করার কিছু সহজ উপায়ঃ ১। কাঁচা হলুদ এবং চন্দনকাঠের গুঁড়ো ব্রণের জন্য খুবই কার্যকর দুটো উপাদান। সমপরিমাণ বাটা কাঁচা হলুদ এবংচন্দন কাঠের গুঁড়ো একত্রে নিয়ে এতে পরিমাণ মত পানি মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করতে হবে।মিশ্রণটি এরপর ব্রণ আক্রান্ত জায়গায় লাগিয়ে রেখে কিছুক্ষন পর শুকিয়ে গেলে মুখঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণটি শুধুমাত্র ব্রণদূর করার কাজ করে না বরং ব্রণের দাগ দূর করতেও সাহায্য করে। ২।আপেল এবং মুধ এর মিশ্রণহচ্ছে ব্রণের দাগ দূর করার সবচেয়ে জনপ্রিয় ঘরোয়া পদ্ধতি। প্রথমে আপেলের পেষ্ট তৈরিকরে তাতে ৪-৬ ফোঁটা মধু মিশাতে হবে। মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষন অপেক্ষা করেএরপর মুখ ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এটি ত্বকের টানটান ভাব বজায় রাখেএবং কমপ্লেকশন হালকা করে।সপ্তাহে ৫-৬ বার এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। আপনিকয়েকদিনের মধ্যে পরিবর্তনটা অনুভব করতে পারবেন। ৩।ব্রণের জন্য তুলসি পাতাররস খুব উপকারী।কারণ তুলসি পাতায় আছে আয়ূরবেদিক গুণ।শুধুমাত্র তুলসি পাতার রস ব্রণআক্রান্ত অংশে লাগিয়ে রেখে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।এরপর কুসুম গরমপানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। ৪।প্রথমে চন্দন কাঠের গুড়োঁরসাথে গোলাপ জল মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করুন। এরপর এতে ২-৩ ফোঁটা লেবুর রস মিশাণ। গোলাপজল অনেকের ত্বকের সাথে এডজাষ্ট হয় না।তারা সেইক্ষেত্রে গোলাপ জলের পরিবর্তে মুধব্যবহার করতে পারেন।এই পেষ্ট আপনার ব্রণের দাগ দূর করতে সাহায্য করবে।সপ্তাহে ৩-৪দিন ব্যবহার করতে পারলে ভাল ফল পাওয়া যাবে। ৫।এছাড়া রাতে শোয়ার আগেডিমের সাদা অংশ ব্রণ আক্রান্ত জায়গায় মেসেজ করে সারারাত রাখতে পারেন।এটি আপনারত্বকের খসখসে ভাব দূর করে।সবচেয়ে ভাল হয় যদি এর সাথে লেবুর রস যোগ করা যায়।আপনিএটি সারারাতও রাখতে পারেন আবার আধ ঘন্টা পরও ধুয়ে ফেলতে পারেন। ৬।প্রতিদিন ৯-১০ গ্লাস পানিখান। ৭।প্রতিদিন রাতের খাবারের পরযেকোন ধরনের মৌসুমি ফল খান। এটি আপনার ত্বককে সতেজ রাখবে।যতটা সম্ভব তেলযুক্ত বাফাষ্ট ফুড জাতীয় খাবার পরিহার করুন। ৮।সবসময় বাহির থেকে আসামাত্র মুখ ফেসওয়াস দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া হালকা গরম পানির স্টীম নিতে পারেন।এতেকরে ত্বকে জমে থাকা ধুলোবালি পরিষ্কার হয়ে যাবে। যারা বহুদিন যাবত ব্রণসমস্যায় ভুগছেন,কোন কিছুতেই কাজ হচ্ছে না,তারা আর দেরি না করে কোন অভিজ্ঞডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।

ব্রণের সমস্যা এত বিচ্ছিরি একটা ব্যাপার যে তা যেন আপনার সমস্ত সৌন্দর্যকে ম্লান করে দেয়। নারী হন বা পুরুষ, মুখে ব্রণ কারো ক্ষেত্রেই ভালো লাগে না দেখতে। নানান রকম চিকিৎসা করিয়ে যারা হতাশ হয়ে পড়েছেন, তাঁদের জন্য রইলো ব্রণের আরেকটি ঘরোয়া চিকিৎসা। নিয়মিত ব্যবহারে ব্রণ ওঠা শূন্যের কোটায় চলে যাবে, আবার চট জলদি ব্রণ কমাতেও এর জুড়ি নেই। ত্বকের জন্য সর্বদা প্রাকৃতিক চিকিৎসাই সবচাইতে উপকারী!
বিশুদ্ধ মধু সংগ্রহ করুন প্রথমেই। মধু একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক। ব্রণের প্রকোপ কমাতে ও দাগ দূর করতে এর জুড়ি নেই।

মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে নিন খুব হাল্কা ফেসওয়াশ দিয়ে। তারপর ভালো করে মুখ ধুয়ে আলতো করে মুছে নিন। এবার আঙ্গুলের ডগায় মধু নিয়ে ভেজা ত্বকেই লাগান। অল্প একটু ম্যাসাজ করে ১০ মিনিট রাখুন। তারপর পানি দিয়ে খুব ভালো করে ধুয়ে নিন। অন্তত ২ ঘণ্টা মুখে কোন প্রসাধনলাগাবেন না।

ত্বকের গঠন অত্যন্ত জটিল। এ জটিলতম ত্বকে একাধিক কারণেও বিভিন্ন রকমের সমস্যা দেখা দেয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো ব্রণের সমস্যা। ব্রণ মূলত টিনএজারদের সমস্যা। এ বয়সে যখন মুখের সৌন্দর্যের প্রতি সবাই আকর্ষণবোধ ও প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে ঠিক সে বয়সেই মুখে এই বিশ্রী গোটাগুলো দেখা দেয়, যা তাদের অন্যতম দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অথচ একটু সচেতন থাকলেই এ সমস্যা থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া সম্ভব।

ব্রণ হওয়ার কারণ : সাধারণত বয়ঃসন্ধিকালে অথবা হরমোনের প্রভাবে ব্রণ হয়ে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে বংশগত প্রভাবেও ব্রণ কমবেশি হয়ে থাকে। সাধারণত ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সে এটি হয়। এ বয়সেই কমবেশি ব্রণ হয়ে থাকে। তবে ২০ বছর বয়সের পর থেকে এগুলো স্বাভাবিকভাবেই ধীরে ধীরে কমতে থাকে। যাদের মুখ অতিরিক্ত তৈলাক্ত, তাদের ব্রণ তুলনামূলকভাবে বেশি হয়।

ব্রণ থেকে মুক্তির উপায় : কিছু নিয়ম অবলম্বন করলেই ব্রণ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। অনেকের ধারণা, কোনো বিশেষ খাবার খেলেই ব্রণ হয়ে থাকে। আসলে এটি ঠিক নয়। কোনো খাবার খেলে যদি ব্রণের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে তবে সে খাবারটি বাদ দিতে হবে। তবে প্রচুর ফলমূল ও পানি খেতে হবে। মুখে বেশি ব্রণ থাকলে রাসায়নিক কোনো উপাদান বা কসমেটিক ব্যবহার করা ঠিক নয়, যথাসম্ভব প্রাকৃতিক বা হারবাল জিনিস ব্যবহার করা ভালো কারণ এতে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। বেশির ভাগ ব্রণ নিজস্ব পরীক্ষার মাধ্যমে সেরে ফেলা সম্ভব।

ব্রণ প্রতিরোধে কিছু উপায় : মূলত ব্রণের জন্য সবচেয়ে বড় ওষুধ হলো অপেক্ষা করা। ব্রণ নিয়ে কখনোই বেশি চিন্তা করবেন না। ব্রণ দু-একটা হবে আবার একাই চলে যাবে। অতিরিক্ত ব্রণ হলে এটি চিন্তার বিষয়। তবে নিচের পরামর্শগুলো অবশ্যই মনে রাখা প্রয়োজন।

ত্বক পরিষ্কার রাখুন। মুখে ভালো সাবান মেখে দু-এক মিনিট রাখুন। পরে আস্তে আস্তে পরিষ্কার করুন। ক্স অ্যাসট্রিনজেন্ট লোশন বা ফেস স্ক্র্যাব ব্যবহার করুন। ক্স প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। দৈনিক ৮ থেকে ১০ গ্লাস। ক্স ত্বকে কোনোরকম অত্যাচার করবেন না এবং হাত লাগাবেন না, ত্বক কুচকাবেন না, খামচাবেন না, গোটা খোঁটাখুঁটি করবেন না। গোটা খুঁটলে হাতের জীবাণু থেকে ইনফেকশন হয়, ফলে দাগ পড়ে যা সহজে সারে না। এ ছাড়া ত্বকে আরো বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।

শরীরের ঘাম দ্রুত মুছে ফেলুন। ক্স ওয়াটার বেজড মেকআপ ব্যবহার করুন। তৈলাক্ত ক্রিম, লোশন বা মেকআপ ব্যবহার করবেন না ।

কালো দাগ থেকে মুক্তির উপায়

অনেকেরই মুখে দেখা যায় ব্রণ ও কালো ছোপ ছোপ দাগ। এ জাতীয় ব্রণ ও কালো দাগ হলে প্রথম থেকেই সতর্কতা অবলম্বন করা উচিৎ। ত্বকের ক্ষেত্রে অবহেলার ফল মারাত্নক হতে পারে। আর নষ্ট করে দিতে পারে আপনার সুন্দর চেহারার সৌন্দর্য মুখের এসব কালো দাগ ও ব্রণ দূর করার জন্য বাড়তি একটু পরিচর্যা দরকার।প্রচুর পরিমাণে শাক-সবজি আর মওসুমী ফল খেতে হবে রোজ পর্যাপ্ত পরিমানে। আরও কিছু টিপস নীচে দেওয়া হলঃ

*২ চামচ বেসন, ১ চা চামচ কাঁচা হলুদ বাটা, ১ চা চামচ কমলার খোসা বাটা একসাথে মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করুন। এবার এটা মুখে ঘাড়ে মাখিয়ে রেখে ১৫-২০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন।
*আপেল এবং কমলার খোসা একসাথে বেটে এর সাথে ১ চামচ দুধ, ডিমের সাদা অংশ এবং কমলার রস মেশান। এবার মিশ্রনটা ত্বকে ২০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন।
*পাকা পেঁপের শাঁস মুখে মেখে নিন। ১ চামচ পাকা পেঁপের শাঁস ও ১ চামচ শশার রস মুখে মেখে নিন। ত্বক উজ্জ্বল হবে।
*ব্রণ থাকাকালীন মুখমন্ডলের ত্বকে কোন তৈলাক্ত পদার্থ ও ক্রিম লাগাবেন না।
*একটি ডিম, ২ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল, একটি গোটা লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নিন, এটি নখ, গলা, হাত ও ঘাড়ের কালো ছোপে ১৫-২০ মিনিট লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ব্রণের দাগ, হাত, ঘাড়ের কালো ছোপ ইত্যাদি সেরে যাবে।
*আধাপাকা চিনির সাথে অলিভ অয়েল মিশিয়ে সারাগায়ে মেখে শুকাতে দিন। শুকিয়ে গেলে এটিকে ঘষে তুলে ফেলুন। এবার সামান্য গরম পানিতে ভালো করে গোসল করে নিন। সপ্তাহে একবার করবেন। এতে শরীরের ত্বক মসৃণ থাকবে।
*নিত্যদিনের খাবারের তালিকায় এ ভিটামিন যুক্ত খাবার অবশ্যই রাখবেন। ভিটামিন এ এর প্রধান উৎস প্রাণীজ প্রোটিন যেমন যকৃত, ডিমের কুসুম, দুধ, মলা-ঢেলা, পুঁটি মাছ, কচুশাক, লাউশাক, পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া, কাঁঠাল ইত্যাদি।
*২ চা চামচ চিনা বাদাম বাটা, ২ চা চামচ দুধের সর মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ১০-২০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ব্রণের দাগ মিলিয়ে যাবে।
*১ চা চামচ লেবুর রস ও ১ চামচ মধু মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ১০-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলবন। মুখে লাবন্য আসবে।

ত্বকের ঔজ্জ্বল্য এবং সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয় ব্রণ। মুখে এসব ব্রণের দাগের জন্য চিন্তায় কাটাচ্ছেন? চিন্তার কোনো কারণ নেই। ব্রণ থেকে বাঁচতে কিছু উপায় অবলম্বন করুন। দেখুন আপনি অনেক ভালো থাকবেন।
— ব্রণ হলে একেবারেই আচার খাবেন না। তবে মিষ্টি চাটনি খেতে পারেন।
— বেশি পরিমাণে নিরামিষ খাবার খান। আমিষ খাবার যতটা সম্ভব না খাওয়ার চেষ্টা করুন।
— ডেইরি প্রোডাক্টসের মধ্যে হরমোনাল উপাদান বেশি পরিমাণে থাকে বলে তা খুব সহজে রক্তের সঙ্গে মিশে যায়। এ কারণেই পনির, দুধ এবং দই কম খান।
— কোল ড্রিঙ্কস খাওয়া একেবারেই বন্ধ করে দিন।
— খুব বেশি পরিমাণে পানি খান। দিনে যদি দু লিটার পানি খেতে পারেন তা আপনার স্বাস্থ্য এবং ত্বকের ক্ষেত্রে ফলদায়ক হবে। পানি বেশি খাওয়ার ফলে শরীর থেকে পিত্ত বেরিয়ে যাবে। আপনি ব্রণের সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাবেন।
— আয়ুর্বেদের মতে অতিরিক্ত ক্রোধের ফলে শরীরে পিত্ত সঞ্চিত হয়। তাই ক্রোধ থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখুন।
ব্রণের দাগ দূর করতে ভেষজ পদ্ধতি:
— কমলা লেবুর খোসা শুকিয়ে মিক্সিতে গুঁড়ো করে নিন। মসুরির ডাল আর চাল ভিজিয়ে ভালো করে পিষে নিন। ওই পেস্টের মধ্যে চন্দন পাউডার, মুলতানি মাটি, কমলালেবুর খোসার গুঁড়ো মিশিয়ে ভালো করে মিলিয়ে নিন। এই মিশ্রণের মধ্যে দুই চামচ দুধও মিশিয়ে নিতে পারেন। মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রাখার পর ধুয়ে নিন। এই প্যাকটা নিয়মিত মুখে লাগান। ত্বকের জেল্লা বাড়বে। ব্রণের দাগও দূর হয়ে যাবে।
ব্রণ দূর করবে নিম:
— চার-পাঁচটা নিম পাতা ভালো করে ধুয়ে পিষে নিন। এর মধ্যে এক চামচ মুলতানি মাটি, অল্প গোলাপ জল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। প্যাকটা যদি গাঢ় হয়ে যায় তাহলে এর মধ্যে গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। মুখে লাগিয়ে বেশ কিছুক্ষণ রেখে দিন। প্যাকটা মুখে শুকিয়ে গেলে হালকা পানি দিয়ে মুখটা ধুয়ে ফেলুন।

 বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মতে ব্রণের কার্যকরী কোন ঔষধ নাই, ব্রণ কমাতে নিয়ন্ত্রন করতে কিছু উপায় আছে।

নিয়মিত মুখ পরিস্কার রাখুন, লাইফবয়  সাবান কার্যকরী,ফেসওয়াস ব্যবহার করতে পারেন।

বয়ঃসন্ধি কালে সবারই কম বেশি ব্রণ সমস্যা হয়, এই নিয়ে বেশি টেনশন ফিল করলে ব্রণ সমস্যা বাড়তে পারে বলেই অভিমত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের

তরল খাবার বেশি খেতে পারেন সিরাপ ছাফী খান উপকার পাবেন।

ব্রণ থেকে রক্ষা পেতে হলে আপনাকে ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। সাথে তৈলাক্ত জাতীয় খাবার কম খেতে হবে। আর মনের ভুলেও কখনোই ব্রণে হাত দিয়ে চুলকাবেন না। এছাড়া প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। নিয়মিত ৮ থেকে ১০ ঘন্টা ঘুমাতে হবে। আশাকরি আপনার ব্রণের সমস্যা আস্তে আস্তে কমে আসবে।

ব্রণের জন্য বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত এটি

ব্যবহার বিধি

রাতে ঘুমানের আগে ফেসওয়াস দিয়ে মুখ পরিস্কার করে, আক্রান্ত স্থানে সামান্য পরিমাণ করে ব্যবহার করুন।

টিপসঃ

√নিয়মিত মুখ পরিস্কার রাখুন,ফেসওয়াস ব্যবহার করুন নিয়মিত।

√নিয়মিত ঘুমতে হবে, পানি বেশি পান করুন,

√শরির কষা থাকলে ব্রন বেশি হয়,

√তরল খাবার বেশি খেতে হবে।

√শাক সবজি নিয়মিত খান

√বেশি আজেবাজে

ক্রীম ব্যবহারে ব্রন সমস্যা বাড়তে পারে বলেই অভিমত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের,

√বেশি টেনশন ফিল করলে ব্রন বাড়ে।

একটা সময় ব্রন এমনিতেই সেরে যাবে।

এই ফেসওয়াশ টি ব্যবহার করতে পারেন।
মানুষের সমস্যা সমাধানের ইচ্ছা আমার অনেকদিনের। বিস্ময়ে এসে সেই ইচ্ছাপূরণের দিশা খুঁজে পেয়ে নিজেকে আর দমাতে চাইনি। এখানে অন্যের উপকার করার মাঝেই নিজের ভালো লাগা খুঁজে পাই। বিশেষ করে স্বাস্থ্য ও বিভিন্ন রোগ সম্পর্কিত জ্ঞানের পাশাপাশি এ্যালোপ্যাথী, আয়ুর্বেদিক, মানসিক ও ইসলামিক বিষয়ে বহুবিধ জ্ঞান আহরণ করেছি। সঠিক ভাবে জানা এই জ্ঞানটুকু সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করি। যা কিছু জানি তা সবাই কে জানানোই বিস্ময়ে আমার মূল লক্ষ্য।

Tuesday, October 10, 2017

কম্পিউটার এর কিছু সাধারন সমস্যা এবং তাদের সমাধান


আজকে আমরা কম্পিউটারের কিছু সাধারন সমস্যা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি, যা আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অনেক সময় দেখি কিন্তু আমরা তাদের আসল কারন এবং সাময়িক সমাধান জানি না। আশা করি আপনারা এই পোস্ট টি পছন্দ করবেন এবং এই লেখা সম্পর্কে পজিটিভ ধারনা পোষন করবেন। চলুন আমরা শুরু করিঃ







কম্পিউটার এর কিছু সাধারন সমস্যা এবং তাদের সমাধান
কম্পিউটার এর কিছু সাধারন সমস্যা এবং তাদের সমাধান

কম্পিউটার সমস্যা এবং তাদের সমাধান

১. মনিটর এর আলো যাওয়া আসা করা

    মনিটর ক্যাবল, ডাটা ক্যাবল, RAM, ডিসপ্লে কার্ড, সি পি উ সংযোগ সহ সকল সংযোগ পরীক্ষা করুন। অনেক সময় হাল্কা সংযোগ এর কারনে এই সমস্যা হয়।

২. চলমান ৩ টা বিপ শব্দ

    সমস্যা RAM সংযোগ এ। বিপ শব্দগুলো সাধারণত RAM এ তৈরি হয়।

3. তিনটা বিপ শব্দ (১ টা বড়, ২ টা ছোটো)

    ডিসপ্লে কার্ড এর সংযোগ এ সমস্যা। এটা পরিষ্কার করুন।

৪. কিছু সময় পর পর তিনটা বিপ শব্দ


    সমস্যা BIOS অথবা RAM এ। (Basic Input Output System)(Random Access Memory)

৫. চলমান ননস্টপ বিপ এর শব্দ

    কীবোর্ড এর সমস্যা। কোন একটা কী অনেক সময় যাবত প্রেস করা আছে।

৬. FDD LED চলমান ভাবে উজ্জ্বল হয়ে থাকা


    ডাটা ক্যাবল টা ঠিক মত সংযোগ পেতে হবে (Twisted Cable)। ভেঙ্গে যায় এমন তার ব্যবহার করা ঠিক না।

৭. স্ক্রীন এ কোন ডিসপ্লে না থাকা

    হার্ড ডিস্ক ক্যাবল ভুলভাবে লাগানো হয়েছে। রেড মার্ক দেখে ভালভাবে লাগিয়ে নতুন করে কম্পিউটার অন করতে হবে।

৮. পাওয়ার এল ই ডি বন্ধ হলে

* মেইন পাওয়ার কার্ড পরীক্ষা করুন

* S. M. P. S পরীক্ষা করুন

* মাদার বোর্ড এর সংযোগ পরীক্ষা করুন

* সি পি ইউ এবং মনিটর এর সুইচগুলো আবার পরীক্ষা করুন

৯. CMOS ভুল দেখানো

    মাদার বোর্ড এর ৩ ভোল্ট ব্যাটারি রিপ্লেস করুন। ম্যানুয়ালি আসল সেটিংস্‌ টা করুন। (refer-CMOS Setup Chart). আপনার সার্চ নাম টা লিখুন এবং সার্চ ফর্ম টা জমা দিন।

১০. FDD ভুল অথবা ফ্লপি ড্রাইভ টা ঠিক মত কাজ করছে না


    FDD এর পাওয়ার কর্ড, ডাটা ক্যাবলস পরীক্ষা করুন। CMOS টা সেট করুন এবং শেষবারের মত ড্রাইভ টা পরীক্ষা করুন

১১. HDD error এবং হার্ড ডিস্ক failure

    পাওয়ার কর্ড, HDD সংযোগ, ডাটা ক্যাবল পরীক্ষা করুন
    CMOS এ হার্ড ডিস্ক প্যারামিটারস  এবং Auto detecting Partitions by Fdisk command পরীক্ষা করুন, তারপর set track 0 তে সেট করুন।

১২. পাওয়ার সাপ্লাই এর সমস্যার কারনে মাদার বোর্ড হাং করলে


    S.M.P.S পরীক্ষা করুন
    RAM  ঠিক মত কাজ করছে না
    সফটওয়্যার সমস্যা (নকল সফটওয়্যার ব্যবহার করার কারনে)
    CPU ফ্যান ঠিক মত কাজ না করলে
    CPU এর ভিতরে গরম বাতাস থাকা উচিত না

১৩. লাফানো স্ক্রীন

    ডিসপ্লে কার্ড এর সংযোগ পরীক্ষা করুন
    ভাইরাস এর সমস্যা
    ভিডিও মেমোরি সমস্যা

১৪. স্ক্রীন নড়াচড়া করা


    আরথিং সমস্যা
    ম্যাগ্নেটিক ঢেউ আসা

১৫. সিপিইউ ক্যাবিনেট শক

    আরথিং পরীক্ষা করুন
    মেইন পাওয়ার কর্ড টা পরীক্ষা করুন

১৬. নন-সিস্টেম ডিস্ক এরর

    ফ্লপি ড্রাইভ এ অন্য কোন ডিস্ক থাকা (Non-bootable) অথবা হার্ড ডিস্ক এর জন্য CMOS এর প্যারামিটার ঠিকমত সেট করা না
    হার্ড ডিস্ক এর পারটিশন নাও হতে পারে
    হার্ড ডিস্ক মুছে ফেলা নাও যেতে পারে

১৭. Operating system খুজে না পাওয়া

    কিছু সিস্টেম ফাইল যেমন {command.com}- {User File IO.SYS & MS_ DOS.SYS}- Hidden files খুজে পাওয়া যায় না।এই তিনটি ফাইল সিস্টেম এর স্টার্ট এর জন্য দরকার হয়, যেটা SYS C: command অথবা ফরম্যাটিং টাইম   বাই ফরম্যাট c:/u/s ব্যবহার করে ট্রান্সফার করা যায়।

18. কমান্ড ইন্টারপ্রেটর খুজে না পাওয়া


    Command.com ফাইল টি ভাইরাস এ আক্রান্ত হইছে অথবা কেউ ডিলিট করে দিছে।

১৯. I/O ERROR দেখানো

    CMOS এ হার্ড ডিস্ক ঠিকমত সেট করা নাও হতে পারে
    ফরম্যাট এর জন্য যে operating system ব্যবহার করা হয় সেটা বৈধ নাও হতে পারে

২০. DEVINE OVER-FLOW MESSAGE দেখানো

    কিছু directories অথবা ফাইল অন্য কোন ফাইল এর সাথে ক্রাশ করা
    CHKDSK/F অথবা SCANDISK কমান্ড ব্যবহার করুন সঠিক করার জন্য

২১. প্রসেসিং এর সময় হার্ড ডিস্ক এ গোলযোগ হওয়া


    পাওয়ার সাপ্লাই ঠিকমত না থাকা
    সংযোগ দুর্বল হয়ে গেছে কিনা পরীক্ষা করা
    হার্ড ডিস্ক এর জন্য Y connectors ব্যবহার না করা
    এটা খারাপ সেক্টর অথবা দুর্বল হার্ড ডিস্ক তৈরি করতে পারে

২২. প্রসেসিং এর সময় হার্ড ডিস্ক হাং করলে

    CHKDSK or SCANDISK Command দিয়ে Bad Sector পরীক্ষা করুন। যদি পান, তাহলে হার্ড ডিস্ক ফরম্যাট করুন এবং ঐ এরিয়ার পূর্বে পার্টিশন সেট করুন। (Bad Sector এর সাথে হার্ড ডিস্ক ব্যবহার করার জন্য এই পদ্ধতি) অথবা (Bad Sector যেন Standard Power Supply ব্যবহার করতে না পারে)

২৩. হার্ড ডিস্ক ডিটেকট করতে না পারা

    পাওয়ার কানেক্টর পরীক্ষা করা
    ডাটা ক্যাবল পরীক্ষা করা
    জাম্পার পরীক্ষা করা

২৪. পার্টিশন না দেখানো

    operating system এর যেখানে হার্ড ডিস্ক ফরম্যাট করা সেটা বর্তমান মাদার বোর্ড সাথে সাপোর্ট করে না। উদাহরন সরূপঃ Pentium এর সাথে যে হার্ড ডিস্ক ফরম্যাট করা হয়েছে, সেটার পার্টিশনগুলো 486 system এ লুকান থাকবে।

২৫. MMX/DLL ফাইল গুলো খুজে না পাওয়া


    পাওয়ার ফেইলর অথবা ভাইরাস এর কারনে ফাইল গুলো corrupted হয়ে যেতে পারে। ফাইল গুলো অন্য কম্পিউটার থেকে আনতে হবে। অথবা Windows 98 operating system আবার ইন্সটল দিতে হবে। ( এই পদ্ধতিতে কম্পিউটার এ থাকা কোন ডাটা কে পরিবর্তন করবে না)

২৬. উইন্ডোজ রেজিস্ট্রি এরর

    হটাৎ করে সিস্টেম এর অন/অফ এর কারনে এটা হয়। সর্বশেষ সমাধান হল operating system কে পুনরায় ইন্সটল করা।

২৭. ডিসপ্লের  রঙ না মিললে

    ডিসপ্লে কার্ড সঠিকভাবে তাদের CD র সাথে স্থাপন করা
    স্ট্যান্ডার্ড সেটিংস্‌ ফর উইন্ডোজ  কে ৮০০*৬০০ তে সেট করা। এটা ভালভাবে চলতে সাহায্য করে

২৮. Unknown device found

    ড্রাইভার ইউটিলিটি operating system এর সাথে দেওয়া না ও থাকতে পারে। ঐ device টির জন্য driver CD থেকে সফটওয়্যার install করতে হবে।

Tuesday, October 3, 2017

যৌন আনন্দ লাভের আগেই বীর্য বের হয়ে যাওয়া সমস্যার সমাধান কি?


যৌন আনন্দ লাভের আগেই বীর্য বের হয়ে যাওয়া সমস্যার সমাধান কি?

যৌন আনন্দ লাভের আগেই বীর্য বের হয়ে যাওয়া সমস্যার সমাধান কি?
যৌন আনন্দ লাভের আগেই বীর্য বের হয়ে যাওয়া সমস্যার সমাধান কি?

প্রতিবারই স্ত্রীর যৌন আনন্দ লাভের অনেক আগেই যদি স্বামীর বীর্য বের হয়ে যায়, তবে সেটা স্ত্রীর পক্ষে অবশ্যই হতাশাজনক। সেই হতাশার বশে অনেকেই ভুল পদক্ষেপ করে ফেলে যা পরবর্তীকালে অশেষ শারীরিক ও মানসিক অশান্তির কারণ হয়।

স্বামী স্ত্রী দু জনের ভিতর তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করবেন না, তাতে হীতে বিপরীত হতে পারে। নিজেদের আত্মবিশ্বাস নষ্ট হয়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।স্ত্রী স্বামীর সাথে কথা বলে কোন ভাল সেক্সোলজিষ্ট বা relationship councilor -এর কাছে নিয়ে যান। কারণ খুব তাড়াতাড়ি বীর্যপাত হওয়া (শীঘ্রপতন) মূলত একটি মানসিক সমস্যা। সেক্সোলজিষ্ট বা কাউন্সিলর ওনার সাথে কথা বলে ওই সমস্যা কেন হচ্ছে তার কারণ বুঝতে পারবেন ও কিভাবে সেটা নিয়ন্ত্রণ করা যায় সেটা বলতে পারবেন। যোনির মধ্যে লিঙ্গ প্রবেশ করানোর ১ থেকে দুই মিনিটের বীর্য বের হয়ে যায় তবেই ডাক্তারি পরিভাষায় তাকে শীঘ্রপতন বলা হয় (এখানে উল্লেখযোগ্য যে গড়ে 7 মিনিটের মধ্যেই পুরুষদের বীর্যস্খলন হয়ে যায়।)। শীঘ্রপতনের কারণ কি তা সঠিক জানা যায় নি, তবে একাধিক কারণ অনুমান করা হয়। যেমন বয়ঃসন্ধির সময় অতিরিক্ত হস্তমৈথুন ও সেই সময় কেউ যাতে দেখে না ফেলে সেজন্য দ্রুত বীর্যস্খলনের চেষ্টার ফলে সেটাই অভ্যাসে পরিণত হয়। এছাড়াও অশান্তি, দুশ্চিন্তা, বৌকে সুখি করতে না পারার মানসিক চাপ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, শরীরে কোন আঘাত ইত্যাদির জন্যেও শীঘ্রপতন হতে পারে। কিছু কিছু ঔষধের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার ফলে এবং নিয়মিত যৌনমিলন না করলেও  দ্রুত বীর্য বের হয়ে যেতে পারে। প্রায় ৩০ শতাংশ পুরুষ জীবনের কোন না কোন সময়ে শীঘ্রপতনের শিকার হয়।

তাড়াতাড়ি বীর্য বের হয়ে যাওয়া নিয়ন্ত্রণ করার একটি পদ্ধতি হল “কেগেল এক্সারসাইজ (Kegel Excersice)”। যে পেশীসমূহ ব্যবহার করে প্রস্রাবের বেগ আটকানো যায় ঠিক সেই পেশী ব্যবহার করে বীর্যপতনও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ওই পেশীর নাম হল PC muscle। PC পেশীর এক্সারসাইজ করতে হলে প্রথমে বুঝতে হবে কোনটা PC পেশী এবং তাকে কি করে খুঁজে বের করা যায়। সেজন্য গোড়াতে প্রস্রাব করতে বসে মাঝপথে প্রস্রাবের বেগ নিয়ন্ত্রণ করা বা বন্ধ করার চেষ্টা করতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে যেন সেইসময় তলপেট, পা কিংবা নিতম্বের পেশী যেন ব্যবহার করা না হয় এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের গতিবেগ যেন স্বাভাবিক থাকে। যদি মূত্র ত্যাগের বেগ ধীরে হয় বা তা একেবারে বন্ধ হয়ে যায় তবে যে পেশীতে চাপ দিতে হয়েছিল সেটাই PC পেশী। এরকম কয়েকবার করলেই বোঝা যাবে কি করে PC পেশীকে সংকুচিত করা বা প্রসারিত করা সম্ভব। এরপর নিয়মিত দিনে তিনবার করে নিচে লেখা এক্সারসাইজ করতে হবে –

১) ৫ সেকেন্ড ধরে PC পেশী সংকুচিত করুন (ভেতরের দিকে টানুন),
২) এরপর ৫ সেকেন্ড ধরে ধীরে ধীরে PC পেশী ছাড়ুন,
৩) উপরোক্ত পদ্ধতি ১০ বার করুন।

কেগেল এক্সারসাইজ করলে যে শুধু বীর্যপতনের উপর নিয়ন্ত্রণ আসে তাই নয়, লিঙ্গের উত্তেজিত অবস্থায় দৈর্ঘ্যও বাড়তে পারে এবং তা আরও শক্ত হতে পারে। মহিলারাও এই এক্সারসাইজ করতে পারেন। তাতে তাদের যোনির ভেতরের দেওয়ালের পেশীর উপর নিয়ন্ত্রণ আসে এবং যৌনমিলনের সময় তারা প্রবিষ্ট লিঙ্গের উপর বিভিন্ন উপায়ে চাপ দিয়ে যৌন আনন্দ প্রভূত পরিমাণে বাড়াতে পারেন।

বীর্যপতন নিয়ন্ত্রণ করার অপর একটি পদ্ধতি হল “স্টার্ট-স্টপ টেকনিক”। যৌনমিলনের সময় যখন মনে হবে যে আর একটু করলেই বীর্য বের হয়ে যাবে, তখনই থেমে যান। এরপর কিছুক্ষণ একে অপরকে আলিঙ্গন, চুম্বন ইত্যাদি করুন। যখন মনে হবে উত্তেজনা একটু কমেছে, তখন আবার শুরু করতে পারেন। এতে যৌনমিলনের সময় দীর্ঘায়িত হবে। আর হ্যাঁ, শুরুর থেকে একটু ধীরে করুন। কথায় বলে যে তাড়াহুড়োয় কখওনো মহৎ কাজ হয় না! সেটা মাথায় রাখতে হবে। এছাড়াও লিঙ্গ যোনির মধ্যে প্রবেশ করানোর আগে কিছুক্ষণ ওরাল সেক্স করে নেওয়া যেতে পারে। কিংবা অঙ্গূলীও ব্যবহার করতে পারেন। যখন আপনার স্বামী আপনাকে আদর করছে সেইসময় আপনি নিজেও নিজের ক্লিটোরিস উত্তেজিত করতে পারেন। তাতে আপনার অর্গ্যাজম ত্বরন্বিত হবে। দেখা গেছে যে মহিলাদের ক্ষেত্রে সেক্সের থেকে ক্লিটোরিস উত্তেজিত করলে অর্গ্যাজমের সম্ভাবনা অনেক বেশি। আরেকটা জিনিস যেটা আপনি করতে পারেন তা হল আপনার স্বামী লিঙ্গ ভেতরে প্রবেশ করানোর পর কিছুক্ষণ তাকে স্থির থাকতে বলুন। সেই সময় আপনি আপনার যোনির ভেতরের দেওয়াল দিয়ে লিঙ্গের উপর বিভিন্ন উপায়ে চাপ সৃষ্টি করুন। দেখবেন দুজনেরই ভাল লাগবে। এছাড়াও বিভিন্ন পোজে সেক্সকরে দেখতে পারেন। হয়তো কোন নির্দিষ্ট পোজে (যেমন “ওমেন অন টপ”) আপনার স্বামীর বীর্যপতন বিলম্বিত হবে। এছাড়াও যৌনমিলনের সময় কন্ডোম ব্যবহার করলে তা পেনিসের সংবেদনশীলতা কম করে বীর্যপতন বিলম্বিত করতে পারে। কিছু কিছু বিশেষ “Long Lasting” কনডম লিঙ্গের সংবেদনশীলতা কমিয়ে দিতে পারে। যেমন, Skore NotOut Climax Delay Condoms 10’s (Pack of 4), Durex Condom – Extended Pleasure (10s) ।

পড়ুন  মিলনে তীব্র ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ব্যর্থ হচ্ছেন মেয়েরা। কিন্তু কেন, ভ্যাজাইনিমাস নয়তো?

নিয়মিত যৌনমিলন করলেও বীর্য বের হতে সময় বেশি লাগবে। যৌন মিলনের পূর্বে Dapoxetine ট্যাবলেট খেলেও বীর্যস্খলন বিলম্বিত হয়। তবে এই ঔষধ কিনতে ডাক্তারের প্রেসকিপশন লাগে, কারণ এই একই ঔষধ মানসিক অবসাদের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও Tramadol ট্যাবলেটও ব্যবহার করা হয় শীঘ্রপতন ঠিক করার জন্য। কিছু কিছু জেল বা স্প্রে (যেমন lidocaine) পাওয়া যায় যা যৌন মিলনের ১০-১৫ মিনিট আগে লিঙ্গে প্রয়োগ করলে তা লিঙ্গের সংবেদনশীলতা কমিয়ে বীর্যপতন দেরি করতে পারে। তবে এইসব ঔষধের জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিৎ।

প্রয়োজনে উপযুক্ত ডাক্তার কিংবা councilor -এর পরামর্শ নিন। ডাক্তারের কাছে যেতে আবার লজ্জা কিসের? ভাল থাকুন।

আপনার ডক্টর হেল্থ সাইটে কোন প্রকার অশ্লীল আর্টিকেল দেওয়া হয় না। মূলত যৌন জীবনকে সুস্থ্য, সুন্দর ও সুখময় করে তোলার জন্য জানা অজানা অনেক কিছু তুলে ধরা হয়।এরপরও আপনাদের কোর প্রকার অভিযোগ থাকলে Contact Us মেনুতে আপনার অভিযোগ জানাতে পারেন, আমরা আপনাদের অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করব। ধণ্যবাদ আপনার ডক্টর হেল্থ সাইটের সাথে থাকার জন্য।

সূত্র:গুপ্তকথা.কম

Saturday, September 30, 2017

এয়ারটেল অফার ২০১৭


এয়ারটেল এখন তাদের গ্রাহকদের দিচ্ছে আকর্ষণীয় সব লোভনীয় অফার
(১) এয়ারটেলে আপনি এখন পাচ্ছেন মাত্র ১৮ টাকায় ১ জিবি নাইট প্যাক ইন্টারনেট|যা ব্যবহার করা যাবে রাত ১২টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত|মেয়াদ ৩ দিন|নিতে এখনই ডায়াল করুন *১২৩*০১৮#
(২) এছাড়াও ১০ জিবি নাইট প্যাক পাচ্ছেন মাত্র ১৬৯ টাকায়|মেয়াদ ৩ দিন|ব্যবহার করা যাবে রাত ১২টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত|নিতে ডায়াল করুন *১২৩*১৬৯#
(৩) শুক্রবার ও শনিবারে মাত্র ১৪ টাকা রিচার্জে আপনি পাচ্ছেন যেকোন নাম্বারে ১৯ মিনিট+২১টি এসএমএস ও ৩০০ এমবি ইন্টারনেট|মেয়াদ শনিবার রাত ১২টা পর্যন্ত|
(৪) ২৬ টাকা রিচার্জে আপনি পাচ্ছেন অন নেটে আধা পয়সা/প্রতি সেকেন্ড এবং অন্য যেকোনো অপারেটরে ১ পয়সা/প্রতি সেকেন্ডে কথা বলার সুযোগ|মেয়াদ ৭ দিন|
(৫) ১৩ টাকা রিচার্জে আপনি পাচ্ছেন অন নেটে আধা পয়সা/প্রতি সেকেন্ড এবং অন্য অপারেটরে ১ পয়সা/প্রতি সেকেন্ডে+(ট্যাক্স+ভ্যাট) কথা বলার সুযোগ|মেয়াদ ১৫ দিন|

Wednesday, September 27, 2017

মেনশন করুন আপনার সেই বন্ধুকে যে এইভাবে হাততালি দেয়

মেনশন করুন আপনার সেই বন্ধুকে যে এইভাবে হাততালি দেয়

Mountain View